অনলাইন ডেস্ক: Bangla Projukti এর পক্ষ থেকে আপনাদের যানাচ্ছি শুভেচ্ছা। বাংলাদেশে তৈরি মাদারবোর্ড দিয়ে মোবাইল চালাবেন, টিভি চালাবেন, কম্পিউটার চালাবেন, আরো যে যে ডিভাইসে মাদারবোর্ড দরকার হবে তার সবই বাংলাদেশে তৈরী করবে স্যামসাং।

চলুন বিস্তারিত জানি

স্যামসাং সব ধরনের মাদারবোর্ড বানাবে। এ কাজ করবে ফেয়ার ইলেকট্রনিক্স যারা হচ্ছে স্যামসাং এর বাংলাদেশী অংশীদার কোম্পানি। তারাই ৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে এই কাজে।

এর ফলে আপনার যে ফোনটি কিনতে দশ হাজার টাকা লাগতো সেটার দাম ৯ শতাংশ কমে এসে দাম দাড়াবে নয় হাজার একশত টাকায়, (অংক ক্লিয়ার না ভেজাল আছে?)

যাইহোক, টেলিভিশন সারাদিনে কতক্ষণ দেখেন? সেটার ও দাম কমবে এখন। স্যামসাং বাংলাদেশের নরশিংদীতে ফেয়ার ইলেকট্রনিক্স এর সাথে যৌথ ভাবে ফ্যাক্টারি তৈরি করেছে যেখানে এখন থেকে প্রায় সকল ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যের জন্য মাদারবোর্ড তৈরি হবে।

https://www.facebook.com/106612874073401/videos/2806098049409604/

স্যামসাং

দক্ষিণ কোরিয়া কিসের জন্য বিখ্যাত?

উত্তর: স্যামসাং।

সারা পৃথিবীতে দক্ষিণ কোরিয়ার কোন কম্পানি হোম ইলেকট্রনিক্স এর প্রথম অবস্থানে আছে?

উত্তর: স্যামসাং।

স্মার্ট ফোন কম্পানির শীর্ষেও স্যামসাং। বাংলাদেশেও শীর্ষে স্যামসাং, গত বছর বাংলাদেশে 15,00,000 পিস মোবাইল ফোন বিক্রয় করেছে স্যামসাং, এর অধিকাংশ মোবাইল এসেছে নরসিংদীর কারখানা থেকে সংযোজন হয়ে। এখন আর সংযোজন না মোবাইলের জন্মই হবে বাংলাদেশের নরশিংদীতে।

মাদারবোর্ড

যেহেতু বাংলাদেশেই মোবাইলে জন্ম দিতে চাইছে স্যামসাং, তাই মাদার বোর্ডের মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টা তো এখানেই তৈরী করতে হবে। 2020 সালের মে-জুন থেকেই এই কার্যক্রম শুরু করবে তারা। আর এ কারণেই মোবাইলের দাম ৯ শতাংশ বেচে যাবে।

মেসবা উদ্দিন

স্যামসাং ফেয়ার ইকেট্রনিক্স এর প্রধান বিপনন কর্মকর্তা মেসবাহ উদ্দিন সাহেব, মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের সাথে সাক্ষাতে বলেনঃঃ

আমরা এফফোরটিবিলিটিকে ড্রাইভ করতে চাই, আমরা যদি মাদারবোর্ড তৈরি করি তাহলে লোকাল ভ্যালু এডিশন বাড়বে। মাদারবোর্ড তৈরী করার জন্য যে টেকনোলজি টা ব্যবহার করা হয় তাকে বলা হয় এস এম টি (Surface-Mount Technology). এটা যেহেতু অনেক অ্যাডভান্স পর্যায়ের প্রযুক্তি তাই এটা বাংলাদেশ আনতে ও সেটা পরোপুরি দাড় করাতে সময় লাগবে। আগামি বছরের মাঝামাঝিতে বাংলাদেশে মাদারবোর্ড বানানোর কার্যক্রম শুরু হতে পারে।

কিছু নতুন প্রযুক্তি আসবে বাংলাদেশে, আর সেগুলো সম্পর্কে শেখার জন্য ইঞ্জিনিয়ার তৈরী হবে। মাদারবোর্ড যে মোবাইলে লাগছে সুধু তাই নয়, ইলেকট্রনিক্স যত ডিভাইস থাকুক সব কিছুরই মাদারবোর্ড দারকার পরে। আর সেটাই যদি বাংলাদেশে তৈরী করতে পারা যায় তো সেটা অবশ্যই গর্বের আর তা দ্রুত এগিয়ে যাবার জন্য সহায়ক হবে।

বিনিয়োগ

এই সমস্ত বিষয় বাস্তবায়ন করতে বিনিয়গ হবে 50,00,00,000 কোটি টাকা। বাংলাদেশের ফেয়ার ইলেকট্রনিক্স এই বিনিয়গটা করতে যাচ্ছে। এই কাজের জন্য বসানো হবে রবোটিক স্বয়ংক্রিয় বুদ্ধি সম্পন্ন হাত(হ্যাঁ হাত)। মাদারবোর্ড তৈরী করা শুরু হলে এটা শুধু মোবাইল হ্যান্ডসেটই না পর্যায়ক্রমে মাদারবোর্ড তৈরী হবে সকল ডিভাইসের জন্যই।

রেফ্রিজারেটর, এসি, মাইক্রোওয়েভ ওভেন ও আরো বেশ কয়েকটি প্রোডাক্ট তৈরী হচ্ছে বাংলাদেশের নরশিংদীতে।

দেশে তৈরি হচ্ছে যে প্রডাক্ট

নতুন একটি এক লাখ ইউনিটের টেলিভিশনের কারখানা চালু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশে, 2020 সালে বাংলাদেশের বাজারে নিজেদের তৈরী এক লাখ পিস ফ্রিজ বিক্রয় করতে চায় স্যামসাং। ধীরে ধীরে স্যামসাং এর সকল পণ্যই বাংলাদেশের তৈরীর পরিকল্পনা নিয়েছে তারা। তার জন্য যত রকম সুযোগ সুবিধা দরকার পরবে তার সবকিছুর উপরেই জোর দিয়েছে কোম্পানিটি।