অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে ভাইরাস দূর করার উপায় ২০২২

আধুনিক প্রযুক্তির যুগে মোবাইল এর ভাইরাস সম্পর্কে কম বা বেশি আমরা সকলেই জানি। এই শব্দটির সাথে আমরা সকলেই পরিচিত। অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ব্যবহার করতে গেলেই নানা রকমের ভাইরাসের বিচরন দেখতে পাওয়া যায়। ভাইরাসের ক্ষতিকর প্রভাব প্রতিনিয়ত আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস টিকে অচল করে দিতে থাকে।

অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে ভাইরাস দূর করার উপায়

একটি ডিভাইস এর সকল ফিচার সম্পূর্ন ভাবে ধ্বংস করে দেবার জন্য ভাইরাস- ই যথেষ্ট। তাই মোবাইলে ভাইরাস দূর করার উপায় জানা না থাকলে কিন্তু আপনাকে বিপাকে পড়তে হবে। তবে চিন্তার কোনো কারন নেই, আজকের আর্টিকেলে আপনাদের জানাবো অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে ভাইরাস দূর করার বেশ কিছু উপায় সমূহ সম্পর্কে। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক।

ভাইরাস কি?

যে সকল অনাকাঙ্ক্ষিত প্রোগ্রাম আপনার এন্ড্রয়েড ডিভাইস এর চলমান প্রোগ্রাম গুলোকে সঠিক ভাবে চলতে বাধা দেয় তাদেরকেই ভাইরাস বলা হয়। ভাইরাস আপনার নির্দেশ দেওয়া পথে আপনার ব্যবহৃত ডিভাইস টি কে স্বাধীন ভাবে চলতে দেয় না।

আরও সহজ ভাবে বলতে গেলে, আপনি যখন আপনার মোবাইল এর কোনো একটি প্রোগ্রাম চালু করার নির্দেশ দেন, সেটা হতে পারে কোনো গেমস, গ্যালারি অথবা অন্য কোনো দরকারী অ্যাপস, তখন সেটা তাৎক্ষণিক ভাবে চালু হয়ে যায়। কিন্তু যখনই ভাইরাস জনিত কোনো প্রোগ্রাম আপনার ডিভাইস এ প্রবেশ করবে তখন আপনার নির্দেশকৃত প্রোগ্রাম গুলোর গতি ধীর হয়ে যাবে এবং চলার পথে বাধাঁ প্রাপ্ত হবে।

কিভাবে ভাইরাস আমাদের মোবাইল ডিভাইসে প্রবেশ করে?

অনেক সময় আমাদের কিছু অসংগত ভুলের কারনেই ভাইরাস বিভিন্ন উপায়ে মোবাইল ডিভাইসে প্রবেশ করে থাকে। আমরা অনেক সময় বিভিন্ন মাধ্যম থেকে প্রয়োজনীয় অ্যাপস ইন্সটল করে থাকি। সাধারণত এই ভাইরাস গুলো বিভিন্ন প্রকার অ্যাপস ইন্সটল এর মাধ্যমে আমাদের মোবাইলে প্রবেশ করে।

এছাড়া ও অনেক সময় অনাকাঙ্খিত ওয়েব সাইটে প্রবেশ করে ব্রাউজ করার ফলে, ইমেইল এর মাধ্যমে আসা বিভিন্ন ফাইল অথবা অ্যাটাচমেন্ট এর মাধ্যমে, মোবাইল এর টেক্সট মেসেজ ইত্যাদি বিভিন্ন মাধ্যমে ভাইরাস আমাদের মোবাইলে প্রবেশ করতে থাকে। এসকল ভাইরাস প্রতিনিয়ত মোবাইল ডিভাইস কে ধ্বংসের দিকে পরিচালিত করে।

মোবাইলে ভাইরাস প্রবেশ করেছে কিনা তা কিভাবে বোঝা সম্ভব?

আপনার মোবাইল ফোনে ভাইরাস প্রবেশ করেছে কি না তা খুব সহজেই কিছু লক্ষণের মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারেন। চলুন এক নজরে দেখে নেই সে সকল লক্ষণগুলোঃ

  • অনাকাঙ্ক্ষিত কোন অ্যাপস অথবা অ্যাপ্লিকেশন থাকলে। যদি দেখেন আপনি নিজে ইন্সটল করেননি কিন্তু অটোমেটিক কোনো অ্যাপস অথবা অ্যাপ্লিকেশন আপনার মোবাইলে চলে এসেছে, তাহলে বুঝতে হবে আপনার ডিভাইসে ভাইরাস প্রবেশ করেছে।

  • প্রতিনিয়ত ঘন ঘন মোবাইল ফোন ক্রাশ করা। মাঝে মাঝে দু, একবার ফোন ক্রাশ করতেই পারে তাতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কিন্তু যদি সেই মোবাইল ফোন ক্রাশ এর পরিমাণ দিন দিন ক্রমাগত হারে বাড়তেই থাকে তাহলে বুঝতে হবে এখানে কোনো ঝামেলা রয়েছে।

  • মোবাইল এর ব্যাটারির চার্জ তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাওয়া। মোবাইলের চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়া ভাইরাস প্রবেশ এর অন্যতম একটি লক্ষণ। ভাইরাস বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত প্রোগ্রাম আপনার নির্দেশ এর বিরুদ্ধে মোবাইলে চালু রেখে, নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বেই চার্জ শেষ করে ফেলে। এছাড়াও অনেক সময় ভাইরাসের জন্য মোবাইলের চার্জ হতেও অনেক সময় লাগে। যদিও আরো অনেক কারণে এমনটা হতে পারে। তাই, আপনি স্মার্টফোনে চার্জ দেরিতে হওয়ার কারণগুলো দেখতে পারেন।

  • যদি অনাকাঙ্খিত পপ আপ অ্যাড বারবার আপনার মোবাইল এর স্ক্রিনে আসতে থাকে তাহলে বুঝে নিবেন আপনার মোবাইলে ভাইরাস প্রবেশ করেছে।

  • সাধারন ভাবে আপনার ডিভাইস টি ব্যবহার করার পরও যখন দেখবেন খুব বেশি মোবাইল ডাটা খরচ হয়ে যাচ্ছে, তাহলে নিঃসন্দেহে কোন ঝুঁকিপূর্ণ ভাইরাস আপনার ডিভাইসকে আক্রমণ করেছে।

  • অকারণেই মোবাইলের ব্যালেন্স শেষ হয়ে যাওয়া। অনেক সময় ভাইরাস আপনার মোবাইলের ব্যালেন্স শেষ করে এবং বিভিন্ন তথ্য চুরি করার চেষ্টা করে।

  • কিছুক্ষন ব্যবহারের পরই যখন দেখবেন মোবাইল গরম হয়ে যাচ্ছে।

আলাদা আলাদা ভাইরাস, আলাদা রকমের লক্ষন প্রকাশ করে। তাই ভাইরাস আক্রমণ এর কোনো লক্ষন দেখতে পেলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই মোবাইলে ভাইরাস দূর করার উপায় খুঁজে নিতে হবে।

মোবাইলে ভাইরাস ঢুকলে ফোনের যেসকল ক্ষতি হয়

  • ভাইরাস মোবাইল এর বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ফাইল আপনার পারমিশন ছাড়াই ডিলিট করে দেয়।

  • অনেক সময় ভাইরাসের কারণে ডিভাইস অতিরিক্ত পরিমাণে স্লো হয়ে যায়। যার ফলে প্রয়োজনীয় কাজ দ্রুত গতিতে সম্পন্ন করা যায় না।

  • ভাইরাস প্রবেশের ফলে মোবাইলের নেটওয়ার্ক সিস্টেম দুর্বল হয়ে যায়।

  • আপনার ডিভাইস অটোমেটিক রিস্টার্ট হতে থাকে যার ফলে প্রয়োজনীয় তথ্য, ছবি হারিয়ে যায় কিংবা মুছে যায়।

  • মোবাইলে থাকা বিভিন্ন প্রয়োজনীয় তথ্য এবং পাসওয়ার্ড হ্যাক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যেমনঃ ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, লিংকড-ইন, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদির পাসওয়ার্ড অথবা আপনার গ্যালারিতে থাকা পার্সোনাল ছবি ও হ্যাক হয়ে যেতে পারে।

  • অল্প সময় ব্যবহারের পর এই মোবাইল গরম হয়ে যেতে থাকবে।

  • এক পর্যায়ে ধীরে ধীরে ভাইরাস আপনার সম্পূর্ণ মোবাইল ফোন টি কে নষ্ট করে দিতে পারে।

মোবাইলে ভাইরাস দূর করার উপায় কি?

  • যখনই দেখবেন আপনার মোবাইলে আপনার ইচ্ছার বিরুদ্ধে অপরিচিত কোন অ্যাপস ইন্সটল হয়ে গিয়েছে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সেটি আনইনস্টল করে দিবেন। তার পাশাপাশি সেই অ্যাপ সংক্রান্ত সকল ডাটা ভালো ভাবে রিফ্রেশ করে দেবেন।

  • ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার ক্ষেত্রে সচেতন থাকতে হবে। অপরিচিত ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা থেকে বিরত থাকবেন। অনেক সময় বিভিন্ন ওয়েব সাইটে ঢোকার পর নোটিফিকেশন বার চলে আসে, কখনোই সেগুলোতে ক্লিক করবেন না।

  • অনেক সময় মোবাইল এর টেক্সট ম্যাসেজের মাধ্যমে অথবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন প্রকার স্পাম ম্যাসেজ পাঠায়। আমরা সবাই জানি যে, স্পাম ম্যাসেজ এর লিংক গুলো ভাইরাস জনিত হয়ে থাকে। তাই সেগুলো কখনোই ক্লিক করবেন না এরকম ম্যাসেজ দেখলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ডিলিট করে দিবেন।

  • অপরিচিত কোন অ্যাপস মোবাইলে ইন্সটল এর পারমিশন দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

  • অপরিচিত এড্রেস থেকে ইমেইল আসলে তা সব সময় এড়িয়ে চলুন। কারণ অনেক সময় ইমেইলের মাধ্যমে মোবাইল ডিভাইস এ ভাইরাস প্রবেশ করে থাকে।

যদিও ভুল করে উপরোক্ত কোন একটি কাজ করে ফেলেন, তাহলে তৎক্ষণাৎ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আপনার মোবাইল ফোনটি রিস্টার্ট দিয়ে নিবেন। রিস্টার্ট দেওয়ার আগে অবশ্যই আপনার প্রয়োজনীয় সকল ডাটার ব্যাক আপ রেখে দেবেন, এবং অপ্রয়োজনীয় ভাইরাস সমৃদ্ধ সকল ডাটা ভালো ভাবে ডিলিট করবেন।

অ্যান্টিভাইরাস কি?

অনেকেই রয়েছে যারা মনে করেন ভাইরাস এবং অ্যান্টিভাইরাস একই ধরনের সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম। কিন্তু এটি সম্পূর্ণ একটি ভ্রান্ত ধারণা। ভাইরাস এবং এন্টিভাইরাস সম্পূর্ণ ভাবে বিপরীত মুখী দুটি প্রোগ্রাম।

অ্যান্টিভাইরাস হলো এমন একটি প্রোগ্রাম যা আপনার ডিভাইসে ভাইরাস ঢুকতে বাধা দেয়। অ্যান্টিভাইরাস আপনার ডিভাইসের ক্ষতিকারক সকল ভাইরাসকে শনাক্ত করে থাকে এবং তার পাশাপাশি তাদের প্রতিরোধ এবং প্রতিকার করে থাকে।

যদি আমরা বিস্তারিত বলতে চাই সেক্ষেত্রে বলা যায়,
অ্যান্টিভাইরাস হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ভাইরাস সংক্রান্ত তথা ম্যালওয়্যার সংক্রান্ত সকল প্রকার প্রোগ্রাম কে আপনার মোবাইল ফোনের প্রবেশ পথে বাধা প্রদান করতে থাকে।

আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি কে সকল প্রকার ভাইরাস থেকে বাঁচানোর একমাত্র সহজ উপায় হলো এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা। এটি আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলটিকে ভাইরাসের প্রকোপে থেকে অকেজো হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। এক কথায় বলতে গেলে, অ্যান্টিভাইরাস হলো ক্ষতিকারক ভাইরাস গুলোর প্রতিষেধক।

অ্যান্টিভাইরাস আপনার ডিভাইসে প্রবেশ করার পূর্বেই ভালো ভাবে চেক করে নেয় যে, কোন ধরনের ক্ষতিকারক ভাইরাস আপনার ডিভাইসে আগে থেকে রয়েছে কিনা। আগে থেকে যদি কোনো ভাইরাস সমৃদ্ধ প্রোগ্রাম থাকে তা তাৎক্ষনিক ভাবে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে অ্যান্টিভাইরাস।

যেভাবে এন্টিভাইরাস আমাদের মোবাইলকে ভাইরাস থেকে বাঁচায়

সহজ কথায় বলতে গেলে ভাইরাস যদি একটি রোগ হয় তাহলে অ্যান্টিভাইরাস হলো সেই রোগের মহাঔষধ। ভাইরাস যেমন বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে আমাদের মোবাইলে প্রবেশ করে, ঠিক তেমনি এন্টিভাইরাস ও এমন একটি অ্যাপস যা আমাদের মোবাইলে প্রবেশ করার পর সে সকল ক্ষতিকারক ভাইরাস গুলোকে ধ্বংস করে দেয়।

মোবাইল এর সুরক্ষার জন্য বেশ কিছু জনপ্রিয় এন্টিভাইরাস অ্যাপস রয়েছে। সেগুলো আপনার মোবাইলে ইন্সটল করার পর পরই ক্ষতিকর ভাইরাস ধ্বংস করার কাজ শুরু হয়ে যায়। এই এন্টিভাইরাস এর বদৌলতে পরবর্তীতে কোনো প্রকার ভাইরাস আপনার মোবাইলকে আক্রমণ করতে পারবে না।

মোবাইলের জন্য সেরা কিছু এন্টিভাইরাস অ্যাপস

বর্তমান সময়ে মোবাইলের সুরক্ষার জন্য বেশ অনেক গুলো এন্টিভাইরাস অ্যাপস তৈরি হয়েছে, যা আপনার মোবাইল এর সুরক্ষার জন্য যথেষ্ট। ক্ষতিকারক ভাইরাস থেকে বাঁচার জন্য অবশ্যই প্রত্যেকটি অ্যান্ড্রয়েড ইউজার এর এই সকল এন্টিভাইরাস অ্যাপস গুলো ব্যবহার করা উচিত।

Avast Mobile Security Apps

এখনকার দিনে সবচেয়ে সেরা এবং জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস মোবাইল অ্যাপস হলো Avast Mobile Security Apps. এই সফটওয়্যার টি আপনার মোবাইল কে সকল প্রকার ক্ষতিকারক ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য যথেষ্ট।

এটি অনেক উন্নত ফিচার সমৃদ্ধ একটি এন্টিভাইরাস অ্যাপস। এই অ্যাপস টি আপনি একাধারে আপনার মোবাইল ফোন এবং কম্পিউটার এর সুরক্ষার জন্য ব্যাবহার করতে পারেন।

এই অ্যাপস টির মাধ্যমে আপনি চাইলে রিয়েল টাইম স্কেন করতে পারেন। যার ধারা আপনার মোবাইল ফোন অথবা মেমোরি কার্ড এর ভেতরের ক্ষতিকারক ভাইরাস ঢুকার সাথে সাথেই তা রিমুভ করে ফেলতে পারবেন। Avast অ্যাপস এ রয়েছে ব্যাটারি সেভার ফিচার, যার ফলে এই অ্যাপস আপনার মোবাইলের ব্যাটারি হেলথ, চার্জ ভালো রাখবে এবং বেশি সময় ধরে রাখবে।

Kaspersky Mobile Antivirus Apps

এটি একটি জনপ্রিয় এন্টিভাইরাস অ্যাপস। এই অ্যাপস টি আপনি ফ্রি তেই ব্যবহার করতে পারবেন। আপনার প্রিয় মোবাইল ফোনটি কে ক্ষতিকারক ভাইরাস থেকে মুক্ত রাখার জন্য এই Kaspersky Mobile Antivirus Apps টি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এই ব্যাপারে আমরা সবাই অবগত যে, এন্ড্রয়েড মোবাইল গুলো প্রাথমিক ভাবে Malware Virus এর মাধ্যমে আক্রান্ত হয়ে থাকে।

কিন্তু এই অ্যাপস এর ব্যবহার আপনার ভাইরাস সংক্রান্ত সকল সমস্যা দূর করে দিতে পারে এক নিমিষেই। এই অ্যাপসটির বিশেষত্ব হল যদি আপনার মোবাইল ফোনে ভুল করেও কোন ধরনের ক্ষতিকারক ভাইরাস ঢুকে যায় এটি তৎক্ষণাৎ আপনাকে নটিফিকেশনের মাধ্যমে জানিয়ে দিবে। তারপর আপনি খুব তাড়াতাড়ি স্ক্যান করার মাধ্যমে ভাইরাসটিকে মেরে ফেলতে পারবেন।

Avira Antivirus Security Apps

বর্তমান প্রযুক্তির যুগে Avira Antivirus Security Apps টি মোবাইল এর সিকিউরিটি এর জন্য খুবই নামকরা। এই অ্যাপস টির অন্তত মিলিয়ন ইউজার তো রয়েছেই। এই অ্যাপস টি সবার কাছে এতো জনপ্রিয়তা পাওয়ার অন্যতম প্রধান কারন হলো এর সিকিউরিটি ফিচার সমুহ।

এই অ্যাপস টি নানা মাধ্যমে আপনার মোবাইলকে ভিতরে এবং বাইরে থেকে সুরক্ষা প্রধান করবে। এই অ্যাপস টি আপনার মোবাইল এর ক্ষতিকর ভাইরাস তো দূর করবেই তার পাশাপাশি এতে রয়েছে একটি বিশেষ ফিচার, যার নাম এন্টি থিফ ফিচার। এই ফিচারটি আপনার মোবাইল হারিয়ে গেলে কিংবা চুরি হয়ে গেলেও খুজে পেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

ব্যাস জেনে নিলেন তো মোবাইলে ভাইরাস দূর করার উপায় সমূহ সম্পর্কে। আর দেরি না করে এখনই চেক করুন আপনার প্রিয় এন্ড্রয়েড ডিভাইসটি তে কোনো প্রকার ক্ষতিকারক ভাইরাস আছে কিনা! যদি থাকে তাহলে আপনার পছন্দ অনুযায়ী এন্টিভাইরাস অ্যাপস ব্যবহার এর মাধ্যমে সকল ভাইরাস দূর করে আপনার মোবাইল কে সুরক্ষিত করুন।

Leave a Comment